এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের দর কমেছে ১১ শতাংশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির (ইপিজিএল) গত সপ্তাহে শেয়ারদর কমেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির (ইপিজিএল) গত সপ্তাহে শেয়ারদর কমেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮০ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪ টাকা ৩০ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির পর্ষদ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ১৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৭৫ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৪৫ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে এককভাবে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ১৮ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।

২০২১-২২ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের দিয়েছে ইপিজিএল। আলোচ্য হিসাব বছরে এর বাইরে আর কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি কোম্পানিটি। এ হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২টাকা ৩০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৮ টাকা ১৮ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪৯ টাকা ১ পয়সা।

২০২১ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৪৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার ২১৬। এর মধ্যে ৫৪ দশমিক ১৩ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৮ দশমিক ২৯ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। ডিএসইতে গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১২ টাকা ১০ ও ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা।

আরও